২০২৬ সালের বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর এবং সর্বশেষ নিয়ম জানুন এখানে। ১০০০ শব্দের এই কমপ্লিট গাইডটি আপনার লাইসেন্স পাওয়া সহজ করবে।
একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স আপনার স্বাধীনভাবে পথ চলার চাবিকাঠি, কিন্তু লিখিত পরীক্ষার ভয় অনেককেই পিছিয়ে দেয়। আপনি কি জানেন, বিআরটিএ-র নতুন নিয়মে মাত্র ৭ দিনেই পরীক্ষায় বসা সম্ভব এবং প্রশ্নগুলো এখন অনেক বেশি সহজ ও বাস্তবসম্মত?
সড়ক পরিবহন আইন এবং ট্রাফিক চিহ্নের সঠিক জ্ঞান না থাকলে পরীক্ষায় পাস করা বেশ কঠিন। এই আর্টিকেলে আমরা ২০২৬ সালের সর্বশেষ সিলেবাস অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তরগুলো তুলে ধরব।
২০২৬ সালে বিআরটিএ তাদের পরীক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের ডিজিটাল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। এখন আবেদন থেকে শুরু করে পরীক্ষার রেজাল্ট পর্যন্ত সবকিছুই স্মার্টফোনে ট্র্যাক করা যায়।
বর্তমানে লার্নার বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর খুব দ্রুততম সময়ে লিখিত, ভাইভা ও ফিল্ড টেস্ট (থ্রি-ইন-ওয়ান) নেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ এক দিনেই আপনার সব পরীক্ষা শেষ হয়ে যাবে।
লিখিত পরীক্ষায় সাধারণত ২০টি প্রশ্ন থাকে এবং এর জন্য আপনি সময় পাবেন ২০ মিনিট। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১ নম্বর এবং পাস করার জন্য আপনাকে অন্তত ১২-১৫ নম্বর পেতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষায় সড়ক আইন থেকে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন আসে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:
রাস্তায় নিরাপদ ড্রাইভিংয়ের জন্য ট্রাফিক চিহ্ন বোঝা বাধ্যতামূলক। এগুলো মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে।
এই চিহ্নগুলো সাধারণত বৃত্তাকার হয়। যেমন: ‘প্রবেশ নিষেধ’, ‘একমুখী রাস্তা’, বা ‘হর্ন বাজানো নিষেধ’। এই নিয়ম অমান্য করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
এগুলো সাধারণত ত্রিভুজ আকৃতির হয়। এই চিহ্নগুলো চালককে সামনের বিপদ সম্পর্কে আগেভাগে সতর্ক করে দেয়। যেমন: ‘সামনে স্কুল’, ‘পিচ্ছিল রাস্তা’ বা ‘বাঁক আছে’।
এগুলো চতুর্ভুজ বা আয়তকার হয়। এগুলো চালককে বিভিন্ন তথ্য দেয়। যেমন: ‘হাসপাতাল’, ‘পেট্রোল পাম্প’ বা ‘পার্কিং স্থান’।
গাড়ি চালানোর পাশাপাশি এর সাধারণ কারিগরি জ্ঞান থাকা জরুরি। পরীক্ষায় এখান থেকে ৩-৪টি প্রশ্ন আসে।
রাস্তায় সাদা বা হলুদ রঙের দাগ দেখে অনেক কিছু বোঝা যায়। লিখিত পরীক্ষায় এগুলো থেকেও প্রশ্ন আসে।
লিখিত পরীক্ষায় পাস করার জন্য আপনার প্রস্তুতি হতে হবে গোছানো। নিচে কিছু কার্যকরী টিপস দেওয়া হলো:
২০২৬ সালে বিআরটিএ-র ফি কাঠামো কিছুটা পুনর্গঠন করা হয়েছে। অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য সব মিলিয়ে খরচ পড়বে প্রায় ৪,৪৯৭ টাকা।
অনলাইনে ‘BSP’ পোর্টালে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে লার্নার আবেদন করুন। এরপর নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে আপনার পরীক্ষার তারিখ ও কেন্দ্র নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন, এখন আর দালালের প্রয়োজন নেই, সরাসরি নিজেই আবেদন করা অনেক বেশি সহজ।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সঠিক জ্ঞান থাকলে এই পরীক্ষাটি মোটেও কঠিন কিছু নয়। এটি কেবল একটি লাইসেন্স পাওয়ার পরীক্ষা নয়, বরং আপনার এবং অন্যের জীবন রক্ষার একটি আইনি প্রস্তুতি। উপরে আলোচিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে আপনি খুব সহজেই পরীক্ষায় সফল হতে পারবেন।
আপনার কি ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিশেষ কোনো প্রশ্ন আছে বা লার্নার আবেদন করতে কোনো সমস্যায় পড়ছেন? আমাদের কমেন্ট করে জানান!
২০২৬ সালে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার নিয়ম কি বদলেছে? ঘরে বসে অনলাইনে, অ্যাপ বা এসএমএসের…
Discover the Top 5 Best Car Selling Website in Bangladesh. Get the latest new &…
শরিফ ওসমান হাদি আর নেই | ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে…
গাড়ির ব্যাটারি ফুলে যাওয়া একটি গুরুতর সমস্যা যা অগ্নিকাণ্ড, বিষাক্ত রাসায়নিক নির্গমন এবং গাড়ির ক্ষতির…
গাড়ির ব্যাটারি ফুলে যাওয়া প্রতিরোধে জরুরি সতর্কতা ও রক্ষণাবেক্ষণ পরামর্শ, গাড়ির ব্যাটারি ফুলে যাওয়া একটি…
পেশাদার ও অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স, এর মধ্যে পার্থক্য জানুন! কে কোন লাইসেন্স পেতে পারেন, কীভাবে…