বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত, মৌখিক এবং ট্রাফিক সাইন পরীক্ষায় নিশ্চিত পাসের জন্য ২০২৬ সালের আপডেট করা সম্পূর্ণ প্রশ্ন ব্যাংকটি নিচের বাটন থেকে সরাসরি ডাউনলোড করুন।
লাইসেন্স প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় সকল তথ্য নিচে দেওয়া হলো
প্রথম ধাপ হলো বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল থেকে লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা।
এনআইডি কার্ডের স্ক্যান কপি, ইউটিলিটি বিলের কপি এবং মেডিকেল সার্টিফিকেট লাগে।
এটি লার্নার পাসের পর অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা সাময়িক কিউআর কোড যুক্ত লাইসেন্স।
ভাড়ায় চালিত গাড়ির জন্য পেশাদার এবং ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য অপেশাদার লাইসেন্স দরকার হয়।
হ্যাঁ, ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রকার লাইসেন্স পেতে এখন ডোপ টেস্ট সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক।
এটি বিআরটিএ-র অনলাইন সার্ভিস পোর্টাল যেখান থেকে সব ধরণের আবেদন করা হয়।
DL Checker অ্যাপ অথবা ১৬৯৬৯ নাম্বারে এসএমএস পাঠিয়ে বর্তমান স্ট্যাটাস জানা যায়।
অপেশাদার লাইসেন্সের জন্য ১৮ বছর এবং পেশাদার লাইসেন্সের জন্য ২১ বছর হতে হবে।
থানায় জিডি করে বিআরটিএ-তে নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।
হ্যাঁ, বৈধ পাসপোর্ট থাকলে এনআইডি ছাড়াও বিশেষ প্রক্রিয়ায় আবেদন করা সম্ভব।
একক ক্যাটাগরি ৩৪৫ টাকা এবং উভয় ক্যাটাগরি ৫১৮ টাকা।
৫ বছরের জন্য ভ্যাটসহ মোট ৪,৪৯৭ টাকা সরকারি ফি জমা দিতে হয়।
সাধারণত ১৫৬৫ টাকা (ভ্যাট ও কার্ড ফি ছাড়া এটি পরিবর্তিত হতে পারে)।
না, এখন বিকাশ, নগদ বা রকেটের মাধ্যমে অনলাইনে বিআরটিএ ফি দেওয়া যায়।
প্রতি বছরের বিলম্বের জন্য ২০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
সরকারি হাসপাতালে ডোপ টেস্টের ফি সাধারণত ৯০০ টাকা।
ক্যাটাগরি পরিবর্তনের ফি ১,০০০ থেকে ২,০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
ফিঙ্গারপ্রিন্টসহ ডুপ্লিকেট কার্ডের ফি ১,১৫০ টাকা।
সংশোধনী ফি হিসেবে ১,১৫০ টাকা বিআরটিএ-তে জমা দিতে হয়।
সার্ভার জট এড়াতে সকাল ৯টা থেকে ১১টার মধ্যে ফি দেওয়া সবচেয়ে ভালো।
ট্রাফিক আইন, রাস্তার সংকেত এবং ইঞ্জিনের প্রাথমিক যন্ত্রপাতি সম্পর্কে প্রশ্ন থাকে।
প্রধানত ট্রাফিক সাইন চিনতে দেওয়া হয় এবং ইঞ্জিনের পার্টস সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়।
চালকের নিখুঁত স্টিয়ারিং কন্ট্রোল এবং রিভার্স ড্রাইভিং দক্ষতা যাচাই করতে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়।
ঢালু রাস্তায় গাড়ি না থামিয়ে বা পেছনে না নামিয়ে সামনে এগিয়ে নেওয়ার পরীক্ষা।
সাধারণত ২০ নম্বরের মধ্যে ১২ নম্বর পেলে পাস ধরা হয়।
ফেল করলে সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ দিন পর পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ পাওয়া যায়।
অরিজিনাল লার্নার কপি, মূল এনআইডি কার্ড এবং একটি কলম।
হলুদ বাতি মানে গাড়ি থামানোর প্রস্তুতি নেওয়া অথবা দ্রুত জংশন খালি করা।
রাস্তায় লাল ত্রিভুজ সংকেত দিয়ে চালককে সতর্কতামূলক বার্তা দেওয়া হয়।
এটি বাধ্যতামূলক নির্দেশ (Compulsory Direction) হিসেবে গণ্য হয়।
আমরা মিরপুর ১ এবং ১০ এর মাঝামাঝি অবস্থিত।
আপনার এনআইডি কার্ডের ফটোকপি এবং ২ কপি ছবি লাগবে।
আমরা আবেদনের সঠিক গাইডলাইন দিয়ে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ সহায়তা করি।
সকাল ৭টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। আপনি আপনার সুবিধামতো সময় নিতে পারেন।
হ্যাঁ, মহিলাদের প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের দক্ষ লেডি ইনস্ট্রাক্টর রয়েছে।
হ্যাঁ, আমাদের দীর্ঘমেয়াদী কোর্সগুলোতে কিস্তিতে ফি দেওয়ার সুবিধা আছে।
সাধারণত ১৫-২১ দিনের মধ্যে আপনি বেসিক ড্রাইভিং আয়ত্ত করতে পারবেন।
আমাদের সেন্টারের নিজস্ব আধুনিক অটো ও ম্যানুয়াল গাড়িতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
হ্যাঁ, সফলভাবে কোর্স শেষ করলে আমরা সার্টিফিকেট প্রদান করি।
প্রাথমিক ধাপ শেষে আমরা শহরের ব্যস্ত রাস্তায় রিয়েল লাইফ ড্রাইভিং শেখাই।
নতুন ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড অথবা ২৫,০০০ টাকা জরিমানা।
এটি নির্দেশ করে যে সতর্কতা মেনে আপনি লেন পরিবর্তন করতে পারবেন।
পথচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া এবং ক্রসিংয়ের আগে গাড়ি সম্পূর্ণ থামানো।
বাম পাশে সরে গিয়ে দ্রুত যাওয়ার জন্য রাস্তা খালি করে দিতে হবে।
সাধারণত ৮০ কিমি/ঘন্টা, তবে জোনভেদে এটি ভিন্ন হয়।
ফিটনেসবিহীন গাড়ির জন্য ১০,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে।
লাইসেন্স বাতিল এবং বড় অংকের জরিমানা বা কারাদণ্ড।
শুধু ঘোর অন্ধকারে মহাসড়কে ব্যবহার্য।
এটি আইনত বৈধতা নিশ্চিত করে এবং সড়ক নিরাপত্তায় ভূমিকা রাখে।