১ ক্লিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করুন
সার্চবারে লিখুন Driving, কন্টেন্টি মনযোগ সহকারে পড়ুন। পরবর্তী ধাপ অনুসরন করুন।
২০২৬ সালের নতুন নিয়মে অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার সহজ পদ্ধতি জানুন। SMS, BSP পোর্টাল এবং DL Checker অ্যাপের মাধ্যমে লাইসেন্স স্ট্যাটাস যাচাই, ই-লাইসেন্স ডাউনলোড এবং ৬০ ঘণ্টার বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ ও সর্বশেষ ফি-এর বিস্তারিত গাইড। এখনই আপনার লাইসেন্সের সঠিক তথ্য পরীক্ষা করুন!
২০২৬ সালে অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার নিয়ম: অনলাইনে ও SMS-এ যাচাই পদ্ধতি

বর্তমানে বাংলাদেশে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ট্রাফিক আইন মেনে চলতে একটি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সের কোনো বিকল্প নেই। তবে গত কয়েক বছরে বিআরটিএ-এর স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিং জটিলতা এবং দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক চালকই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। আপনি কি দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও আপনার স্মার্ট কার্ডটি হাতে পাচ্ছেন না? অথবা রাস্তায় চলাচলের সময় পুলিশি ঝামেলা এড়াতে আপনার লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা বা বৈধতা যাচাই করতে চাচ্ছেন?
চিন্তার কিছু নেই! ২০২৬ সালে বিআরটিএ-এর ডিজিটাল সেবায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এখন আর স্মার্ট কার্ডের জন্য মাসের পর মাস হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হয় না। আপনি ঘরে বসেই আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে মাত্র কয়েক মিনিটে জেনে নিতে পারেন আপনার লাইসেন্সের সঠিক স্ট্যাটাস। শুধু তাই নয়, স্মার্ট কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই আপনি বিআরটিএ-এর অনুমোদিত ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স বা ই-পেপার ডাউনলোড করে খুব সহজেই রাস্তায় যানবাহন চালাতে পারছেন, যা আইনগতভাবে সম্পূর্ণ বৈধ।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা ২০২৬ সালের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী—SMS, BSP পোর্টাল এবং অ্যাপের মাধ্যমে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার প্রতিটি ধাপ বিস্তারিত আলোচনা করব।
আরও পড়ুন: আপনি যদি নতুন লাইসেন্স করতে চান, তবে দেখে নিন ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সহজ নিয়ম ও ধাপসমূহ।
২. SMS-এর মাধ্যমে দ্রুত লাইসেন্স স্ট্যাটাস চেক (অফলাইন পদ্ধতি)

ড্রাইভিং লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা জানার জন্য বিআরটিএ-এর সবচেয়ে প্রাচীন এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি হলো SMS। বর্তমানে স্মার্ট কার্ডের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে এবং ইন্টারনেটের ঝামেলা ছাড়া তাৎক্ষণিক তথ্য পেতে এই পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই।
কেন SMS পদ্ধতি আপনার জন্য দরকার?
অনেকেই মনে করেন অনলাইন পোর্টাল বা অ্যাপই শ্রেষ্ঠ, তবে SMS পদ্ধতির কিছু বিশেষ সুবিধা রয়েছে:
- ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজন নেই: আপনার ফোনটি যদি বাটন ফোনও হয়, তবুও আপনি এই সেবাটি নিতে পারবেন।
- যে কোনো সময়, যে কোনো স্থান থেকে: রাস্তায় যাতায়াতের সময় বা ডাটা ব্যালেন্স না থাকলেও মাত্র একটি মেসেজের মাধ্যমে আপডেট জানা সম্ভব।
- সরাসরি সার্ভার আপডেট: এটি সরাসরি বিআরটিএ-এর ডেটাবেজ থেকে তথ্য সরবরাহ করে, ফলে ভুলের সম্ভাবনা থাকে না।
সঠিক ফরম্যাট ও পাঠানোর নিয়ম
SMS-এর মাধ্যমে চেক করার জন্য আপনার কাছে আপনার আবেদনের রেফারেন্স নম্বর (Reference Number) থাকতে হবে। এটি সাধারণত আপনার লার্নার কার্ড বা ফি জমা দেওয়ার স্লিপে পাওয়া যায়। নিচে সঠিক নিয়মটি দেওয়া হলো:
- আপনার মোবাইলের মেসেজ অপশনে যান।
- বড় হাতের অক্ষরে টাইপ করুন: DL <স্পেস> আপনার রেফারেন্স নম্বর।
- মেসেজটি পাঠিয়ে দিন 26969 নম্বরে।
উদাহরণ: আপনার রেফারেন্স নম্বর যদি 123456789 হয়, তবে লিখবেন: DL 123456789এবং পাঠিয়ে দেবেন 26969 নম্বরে।
ফিরতি মেসেজের তথ্য ও সেগুলোর অর্থ
মেসেজ পাঠানোর কিছুক্ষণ পর আপনি একটি ফিরতি SMS পাবেন। সেখানে কিছু টেকনিক্যাল শব্দ থাকতে পারে যা অনেকের কাছে অস্পষ্ট মনে হতে পারে। নিচে সেগুলোর সহজ ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- Submitted/Pending: এর অর্থ হলো আপনার আবেদনটি এখনো প্রক্রিয়াধীন আছে এবং বিআরটিএ অফিস থেকে যাচাই-বাছাই চলছে।
- Printed: অভিনন্দন! আপনার স্মার্ট কার্ডটি প্রিন্ট হয়ে গেছে। এখন এটি পাঠানোর প্রস্ততি চলছে।
- Dispatched/Handed over to Post Office: এর মানে হলো আপনার কার্ডটি বিআরটিএ থেকে কুরিয়ার বা ডাকবিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এটি আপনার বর্তমান ঠিকানায় পৌঁছে যাবে।
- Delivered: অর্থাৎ আপনার কার্ডটি আপনার ঠিকানায় পৌঁছে গেছে অথবা আপনি কার্ডটি গ্রহণ করেছেন।
- Data Not Found: এমন মেসেজ আসলে বুঝবেন আপনার রেফারেন্স নম্বরটি ভুল অথবা সার্ভারে এখনো এন্ট্রি হয়নি। সেক্ষেত্রে কিছুদিন পর আবার ট্রাই করতে হবে।
SMS পাঠানোর ক্ষেত্রে আপনার মোবাইলে ন্যূনতম ২.৫০ টাকা ব্যালেন্স নিশ্চিত করুন। কারণ এটি একটি প্রিমিয়াম সার্ভিস।
৩. BRTA সার্ভিস পোর্টাল (BSP) থেকে অনলাইন চেক
আপনি যদি আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিস্তারিত তথ্য, মেয়াদের তারিখ এবং স্মার্ট কার্ডের বর্তমান অবস্থা নিখুঁতভাবে দেখতে চান, তবে BRTA Service Portal (BSP) বা বিএসপি পোর্টাল হলো সবথেকে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এটি বিআরটিএ-এর একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম যেখানে লার্নার আবেদন থেকে শুরু করে স্মার্ট কার্ড ট্র্যাকিং—সবই করা সম্ভব।
অনলাইন ড্রাইভিং লাইসেন্স ভেরিফিকেশন করার ধাপ
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে লাইসেন্স চেক করার জন্য নিচের সহজ ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
ধাপ ১: অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ
প্রথমেই আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার ব্রাউজার থেকে বিআরটিএ-এর অফিশিয়াল সার্ভিস পোর্টাল BSP BRTA GOV BD লিংকে প্রবেশ করুন। এটিই বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির একমাত্র অফিশিয়াল সেবা কেন্দ্র।
ধাপ ২: প্রোফাইলে লগইন বা রেজিস্ট্রেশন
পোর্টালে প্রবেশের পর ডানদিকের ওপরের কোণায় থাকা লগইন বাটনে ক্লিক করুন।
- আপনার যদি আগে থেকে অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
- যদি নতুন ইউজার হন, তবে নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করে এনআইডি (NID) এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে দ্রুত একটি অ্যাকাউন্ট খুলে নিন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।
ধাপ ৩: ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ট্যাটাস মেন্যুতে ক্লিক
সফলভাবে লগইন করার পর আপনার ড্যাশবোর্ডটি দেখতে পাবেন। বাম পাশের মেনু থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সেকশনে যান এবং সেখানে থাকা ড্রাইভিং লাইসেন্স স্ট্যাটাস অথবা লাইসেন্সের তথ্য লিংকে ক্লিক করুন।
ধাপ ৪: লার্নার নাম্বার ও এনআইডি প্রদান
এই পর্যায়ে আপনাকে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে ভেরিফিকেশন করতে হবে।
- আপনার লার্নার পারমিটে থাকা রেফারেন্স নাম্বার বা লার্নার নাম্বার এবং আপনার জন্ম তারিখ (NID অনুযায়ী) প্রদান করুন।
- তথ্যগুলো দিয়ে Search বা অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করলেই আপনার লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা স্ক্রিনে চলে আসবে।
এই পদ্ধতিতে চেক করার সুবিধা কী?
অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় অনলাইন পোর্টালে কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়, যা আপনাকে প্রতিযোগিতায় অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখবে:
- লার্নার নাম্বার দিয়ে চেক: আপনার কাছে স্মার্ট কার্ড নাম্বার না থাকলেও শুধুমাত্র লার্নার রেফারেন্স দিয়ে পূর্ণাঙ্গ আপডেট পাওয়া যায়।
- এনআইডি ভেরিফিকেশন: এনআইডি ভিত্তিক সার্চ করার কারণে তথ্যের নির্ভুলতা থাকে শতভাগ।
- ছবিসহ তথ্য: এখানে আপনার নাম, পিতার নাম, লাইসেন্সের ধরণ (পেশাদার/অপেশাদার) এবং ছবির তথ্যসহ সম্পূর্ণ প্রোফাইল দেখার সুযোগ থাকে।
- লাইসেন্স নবায়ন স্ট্যাটাস: যাদের লাইসেন্স পুরনো হয়ে গেছে, তারা নবায়নের জন্য আবেদনের বর্তমান অবস্থাও এখান থেকে চেক করতে পারেন।
সতর্কতা: সবসময় মনে রাখবেন, বিএসপি পোর্টালের আসল লিংকটি যেন ( https://bsp.brta.gov.bd/ ) ডোমেইনভুক্ত হয়। কোনো থার্ড পার্টি সাইটে আপনার এনআইডি বা ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।
৪. ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স (E-Paper) ডাউনলোড পদ্ধতি

স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিংয়ে দেরি হওয়া বা কার্ড হারিয়ে যাওয়ার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিতে বিআরটিএ নিয়ে এসেছে ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স বা ডিজিটাল ই-পেপার। এটি মূলত আপনার মূল ড্রাইভিং লাইসেন্সের একটি ডিজিটাল সংস্করণ, যা আপনি স্মার্ট কার্ড হাতে পাওয়ার আগেই ব্যবহার শুরু করতে পারেন।
নতুন আপডেট: ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী ই-লাইসেন্সের বৈধতা
২০২৬ সালের সরকারি গেজেট এবং বিআরটিএ-এর সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী, ই-ড্রাইভিং লাইসেন্সের বৈধতা এখন স্মার্ট কার্ডের মতোই সমান। অর্থাৎ:
-
পুলিশি তল্লাশিতে বৈধ: রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ আপনার কাছে লাইসেন্স দেখতে চাইলে স্মার্ট কার্ডের পরিবর্তে ফোনের গ্যালারিতে থাকা ই-লাইসেন্স বা এর প্রিন্ট কপি দেখালে তা গ্রহণ করতে তারা বাধ্য।
-
আইনি স্বীকৃতি: এটি বিআরটিএ-এর কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত, তাই এটি জাল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
কিভাবে অনলাইন থেকে পিডিএফ (PDF) কপি সংগ্রহ ও প্রিন্ট করবেন?
আপনার ই-লাইসেন্সটি ডাউনলোড করা খুবই সহজ। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
- BSP পোর্টালে লগইন: প্রথমে
bsp.brta.gov.bdওয়েবসাইটে আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। - লাইসেন্স মেনু: ড্যাশবোর্ড থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স অপশনে ক্লিক করুন।
- ই-লাইসেন্স ডাউনলোড: আপনার লাইসেন্সের তথ্য যদি অ্যাপ্রুভ হয়ে থাকে, তবে সেখানে Download E-License বা View E-Paper নামে একটি বাটন দেখতে পাবেন।
- পিডিএফ সেভ: বাটনে ক্লিক করলে আপনার ই-লাইসেন্সটি স্ক্রিনে শো করবে। এরপর Save as PDF অপশন ব্যবহার করে আপনার ফোনে বা কম্পিউটারে ডাউনলোড করে নিন।
- কালার প্রিন্ট: এটি যেকোনো সাধারণ কাগজে প্রিন্ট করা যায়, তবে দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের জন্য ল্যামিনেটিং করে রাখা ভালো।
কিউআর কোড (QR Code) সম্বলিত লাইসেন্স কেন গুরুত্বপূর্ণ?
ই-লাইসেন্সের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো এর ডান কোণায় থাকা একটি ইউনিক কিউআর কোড (QR Code)। এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
- তাৎক্ষণিক যাচাই: ট্রাফিক পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা তাদের ডিভাইসে থাকা DL Checker App (অ্যাপ) দিয়ে এই কোডটি স্ক্যান করে মাত্র ৫ সেকেন্ডে আপনার ছবিসহ আসল তথ্য সার্ভার থেকে দেখতে পারে।
- নিরাপত্তা: এই কোডটি আপনার ব্যক্তিগত ডেটাবেজের সাথে এনক্রিপ্টেড থাকে, ফলে কেউ চাইলেই আপনার তথ্য নকল করতে পারবে না।
- বিদেশে ব্যবহার: আপনি যদি দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক ড্রাইভিং পারমিট নিতে চান, সেক্ষেত্রে এই কিউআর কোড সম্বলিত কপিটি ডকুমেন্ট হিসেবে অত্যন্ত সহায়ক হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনার ই-লাইসেন্সে যদি কোনো ভুল তথ্য থাকে, তবে প্রিন্ট করার আগেই সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে যোগাযোগ করে তা সংশোধন করে নেওয়া উচিত। কারণ কিউআর কোডটি স্ক্যান করলে বিআরটিএ-এর সার্ভারে থাকা তথ্যই প্রদর্শিত হবে।
৫. BRTA DL Checker অ্যাপ ব্যবহার করে ভেরিফিকেশন

বর্তমানে জাল লাইসেন্সের ভিড়ে আসল লাইসেন্স চিনে নেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জিং। এই সমস্যার সমাধানে বিআরটিএ-এর সবচেয়ে আধুনিক সংযোজন হলো BRTA DL Checker অ্যাপ। আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনটি দিয়েই এখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডে যেকোনো ড্রাইভিং লাইসেন্সের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।
স্মার্টফোন দিয়ে সেকেন্ডের মধ্যে আসল লাইসেন্স চেনার উপায়
আপনি যখন রাস্তায় চলেন বা নতুন কোনো চালক নিয়োগ দেন, তখন তার লাইসেন্সটি আসল কি না তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনি দুটি উপায়ে ভেরিফিকেশন করতে পারেন:
১. রেফারেন্স বা ডিএল নম্বর দিয়ে: অ্যাপে আপনার লাইসেন্স বা রেফারেন্স নম্বর এবং জন্ম তারিখ দিলেই সার্ভার থেকে তথ্য চলে আসবে। ২. কিউআর কোড স্ক্যানিং (সবচেয়ে জনপ্রিয়): লাইসেন্সের (স্মার্ট কার্ড বা ই-পেপার) ওপর থাকা কিউআর কোডটি অ্যাপের স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করলেই চালকের ছবিসহ বিস্তারিত প্রোফাইল স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। যদি কোনো তথ্য না আসে বা ছবির সাথে অমিল থাকে, তবে বুঝবেন সেটি জাল লাইসেন্স।
অ্যাপটি ডাউনলোডের লিংক এবং ব্যবহারের নিয়ম
২০২৬ সালের নতুন আপডেট অনুযায়ী অ্যাপটি ব্যবহার করা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্মুথ।
ডাউনলোড লিংক: এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা গুগল প্লে-স্টোর থেকে BRTA DL Checker App (অ্যাপটি ) ডাউনলোড করতে পারবেন। আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অ্যাপ স্টোরেও এটি উপলব্ধ রয়েছে।
অ্যাপ ব্যবহারের সঠিক নিয়ম:
- ইনস্টল ও ওপেন: অ্যাপটি ওপেন করার পর প্রয়োজনীয় পারমিশন (যেমন: ক্যামেরা অ্যাক্সেস) দিন।
- তথ্য প্রদান: অ্যাপের মূল পাতায় দুটি ঘর পাবেন। একটিতে DL Number অথবা Reference Number লিখুন এবং নিচের ঘরে আপনার জন্ম তারিখ দিন।
- সার্চ করুন: Search বাটনে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আপনার লাইসেন্সের প্রিন্টিং স্ট্যাটাস এবং মেয়াদ দেখতে পাবেন।
- পোস্টাল ট্র্যাকিং (নতুন ফিচার): ২০২৬ সালের নতুন আপডেটে আপনার স্মার্ট কার্ডটি যদি ডাকযোগে পাঠানো হয়ে থাকে, তবে অ্যাপের ভেতরেই আপনি BPO Tracking ID দেখতে পাবেন। এই আইডিতে ক্লিক করে আপনি সরাসরি আপনার কার্ডটি কুরিয়ারের কোন অবস্থায় আছে তা ট্র্যাক করতে পারবেন।
টিপস: সবসময় প্লে-স্টোর থেকে অ্যাপের লেটেস্ট ভার্সন (বর্তমানে ৩.০.৮ বা তার বেশি) ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। এতে সার্ভারের সাথে দ্রুত সংযোগ পাওয়া যায় এবং নতুন সব ফিচার ব্যবহার করা সহজ হয়।
৬. ২০২৬ সালের নতুন নিয়ম: ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ ও আপডেট ফি

২০২৬ সালে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA) ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়ায় আমূল পরিবর্তন এনেছে। এই নতুন নিয়মের মূল লক্ষ্য হলো সড়কের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং দক্ষ চালক তৈরি করা। এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো বাধ্যতামূলক ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ।
বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টা ড্রাইভিং ট্রেনিংয়ের সরকারি নির্দেশনা
এখন থেকে লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর সরাসরি মূল পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না। ২০২৬ সালের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি আবেদনকারীকে বিআরটিএ অনুমোদিত যেকোনো ড্রাইভিং ট্রেনিং স্কুল থেকে ন্যূনতম ৬০ ঘণ্টার ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।
- প্রশিক্ষণের ধরন: এই ৬০ ঘণ্টার মধ্যে ৪০ ঘণ্টা থাকবে ব্যবহারিক (Practical Driving) এবং ২০ ঘণ্টা থাকবে তাত্ত্বিক (Theory/Traffic Rules)।
- সার্টিফিকেট যাচাই: প্রশিক্ষণ শেষে সংশ্লিষ্ট স্কুল থেকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। এই সার্টিফিকেট বিএসপি (BSP) পোর্টালে আপলোড না করা পর্যন্ত আপনি চূড়ান্ত পরীক্ষার (Test) জন্য তারিখ বুক করতে পারবেন না।
- উদ্দেশ্য: অদক্ষ চালকদের কারণে ঘটা সড়ক দুর্ঘটনা কমিয়ে আনা এবং ট্রাফিক সিগন্যাল সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করা।
২০২৬ সালের আপডেটেড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি (চার্ট)
সরকারি নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, লার্নার এবং স্মার্ট কার্ড ফি-তে সামান্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। নিচে ২০২৬ সালের সর্বশেষ ফি-এর তালিকা দেওয়া হলো:
| লাইসেন্সের ধরন | মেয়াদের সীমা | সর্বমোট সরকারি ফি (ভ্যাটসহ) |
| লার্নার লাইসেন্স (১টি ক্যাটাগরি) | ৬ মাস | ৫১৮/- টাকা |
| লার্নার লাইসেন্স (২টি ক্যাটাগরি) | ৬ মাস | ৭৪৮/- টাকা |
| অপেশাদার লাইসেন্স (Amateur) | ১০ বছর | ৪,৪৯৭/- টাকা |
| পেশাদার লাইসেন্স (Professional) | ০৫ বছর | ২,৭৭২/- টাকা |
| স্মার্ট কার্ড হোম ডেলিভারি ফি | – | ৬০/- টাকা |
সতর্কতা: বিআরটিএ-এর সমস্ত ফি এখন শুধুমাত্র অনলাইন ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট বা নির্দিষ্ট ব্যাংক) এর মাধ্যমে প্রদান করা যায়। কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষকে নগদ টাকা প্রদান থেকে বিরত থাকুন।
কেন এই পরিবর্তন আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ?
আগে অনেকেই ড্রাইভিং না শিখেই লাইসেন্স পাওয়ার চেষ্টা করতেন, যা এখন এই ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং বাধ্যতামূলক ট্রেনিং সিস্টেমের কারণে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিআরটিএ এখন প্রতিটি আবেদনকারীর ট্রেনিং প্রগ্রেস অনলাইনে মনিটর করছে, ফলে স্বচ্ছতা শতভাগ নিশ্চিত হচ্ছে।
৭. সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করতে গিয়ে বা অনলাইনে আবেদন করতে গিয়ে অনেক সময় ছোটখাটো যান্ত্রিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ২০২৬ সালের নতুন সিস্টেমে এই সমস্যাগুলোর সমাধান এখন অনেক বেশি সহজ। নিচে সাধারণ কিছু সমস্যা ও সেগুলোর সঠিক সমাধান দেওয়া হলো:
No Data Found সমস্যা কেন হয় এবং এর সমাধান
অনলাইনে বা অ্যাপে চেক করার সময় অনেকেরই No Data Found মেসেজটি আসে। এর প্রধান কারণগুলো হলো:
- তথ্য এন্ট্রিতে দেরি: আপনি যদি মাত্র কয়েকদিন আগে বায়োমেট্রিক দিয়ে থাকেন, তবে সার্ভারে তথ্য আপলোড হতে ৫-৭ কার্যদিবস সময় লাগতে পারে।
- ভুল রেফারেন্স নম্বর: লার্নার বা স্লিপের নম্বরটি টাইপ করতে ভুল হলে এই মেসেজ দেখায়।
- সার্ভার মেইনটেইনেন্স: মাঝেমধ্যে বিআরটিএ-এর কেন্দ্রীয় সার্ভারে কাজ চললে সাময়িকভাবে ডেটা পাওয়া যায় না। সমাধান: অন্তত এক সপ্তাহ অপেক্ষা করে আবার চেষ্টা করুন। এরপরও একই সমস্যা থাকলে আপনার নিকটস্থ বিআরটিএ সার্কেল অফিসে যোগাযোগ করুন।
মোবাইল নাম্বার বা এনআইডি তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের উপায়
আপনার লাইসেন্সে যদি নাম, জন্ম তারিখ বা মোবাইল নম্বর ভুল থাকে, তবে সেটি দ্রুত সংশোধন করা জরুরি। ২০২৬ সালের নিয়ম অনুযায়ী:
- অনলাইন সংশোধন: বিএসপি (BSP) পোর্টালে লগইন করে তথ্য সংশোধন (Information Correction) মেন্যুতে গিয়ে নির্দিষ্ট ফি (প্রায় ১১০৭/- টাকা) জমা দিয়ে আবেদন করা যায়।
- এনআইডি ভেরিফিকেশন: এনআইডি অনুযায়ী তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করতে Update from NID অপশনটি ব্যবহার করুন।
- অফিসিয়াল যোগাযোগ: যদি অনলাইন প্রোফাইলে মোবাইল নম্বর ভুল থাকার কারণে লগইন করতে না পারেন, তবে বিআরটিএ-এর আইটি সেলে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে নিতে হবে।
স্মার্ট কার্ড হোম ডেলিভারি ট্র্যাকিং করার নিয়ম
বিআরটিএ এখন ডাকবিভাগের মাধ্যমে সরাসরি আপনার ঠিকানায় স্মার্ট কার্ড পাঠিয়ে দিচ্ছে। আপনার কার্ডটি কোথায় আছে তা জানতে:
- ট্র্যাকিং আইডি সংগ্রহ: আপনার লাইসেন্স স্ট্যাটাস যখন Dispatched দেখাবে, তখন সেখানে একটি ট্র্যাকিং নম্বর (Tracking ID) দেওয়া হবে।
- বাংলাদেশ পোস্ট অফিস ওয়েবসাইট: ডাকবিভাগের অফিশিয়াল ট্র্যাকিং পোর্টালে নোটিশ বোর্ড গিয়ে ঐ আইডিটি দিলেই আপনার কার্ডটি বর্তমানে কোন পোস্ট অফিসে আছে তা দেখতে পাবেন।
- সরাসরি ট্র্যাকিং: এছাড়া বিআরটিএ ডিএল চেকার অ্যাপের লেটেস্ট ভার্সনে এখন সরাসরি Track Delivery অপশন যুক্ত করা হয়েছে।
হেল্পলাইন টিপস: যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে বিআরটিএ-এর অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বর ১৬১০৭ (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা, রবিবার-বৃহস্পতিবার) কল করতে পারেন।
৮. FAQ: ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসা
ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করা এবং এর ব্যবহার নিয়ে চালকদের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে। ২০২৬ সালের আপডেট অনুযায়ী আপনার মনে থাকা কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর নিচে দেওয়া হলো:
প্রশ্ন: মোবাইল নাম্বার দিয়ে কি ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করা যায়?
উত্তর : সরাসরি মোবাইল নাম্বার দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে বিআরটিএ শুধুমাত্র রেফারেন্স নম্বর (Reference Number) অথবা লার্নার নম্বর এবং জন্ম তারিখের মাধ্যমেই তথ্য যাচাই করার সুযোগ দেয়। তবে আপনার বিএসপি (BSP) প্রোফাইলে মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে আপনি আপনার লাইসেন্সের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
প্রশ্ন: মোবাইল নাম্বার দিয়ে কি ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করা যায়?
উত্তর : সরাসরি মোবাইল নাম্বার দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষার খাতিরে বিআরটিএ শুধুমাত্র রেফারেন্স নম্বর (Reference Number) অথবা লার্নার নম্বর এবং জন্ম তারিখের মাধ্যমেই তথ্য যাচাই করার সুযোগ দেয়। তবে আপনার বিএসপি (BSP) প্রোফাইলে মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে আপনি আপনার লাইসেন্সের বিস্তারিত তথ্য দেখতে পারবেন।
প্রশ্ন: লার্নার কার্ড দিয়ে কি রাস্তায় গাড়ি চালানো যাবে?
উত্তর: লার্নার কার্ড বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স নিয়ে রাস্তায় একাকী গাড়ি চালানো সম্পূর্ণ আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। লার্নার কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো গাড়ি চালানো শেখা। তাই এই কার্ড নিয়ে গাড়ি চালাতে হলে অবশ্যই আপনার পাশে একজন বৈধ লাইসেন্সধারী প্রশিক্ষক থাকতে হবে এবং গাড়ির সামনে-পেছনে বড় অক্ষরে L লেখা স্টিকার থাকতে হবে। এটি কোনোভাবেই মূল লাইসেন্সের বিকল্প নয়।
প্রশ্ন: হারানো লাইসেন্স অনলাইনে কিভাবে চেক করব?
উত্তর: আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স হারিয়ে গেলে বিএসপি পোর্টালে লগইন করে আপনার প্রোফাইল থেকে লাইসেন্সের কপি বা স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। এছাড়া হারিয়ে যাওয়া লাইসেন্সের ডিজিটাল কপি বা ই-পেপার ডাউনলোড করে নিয়ে ডুপ্লিকেট স্মার্ট কার্ডের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। এর আগে নিকটস্থ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (GD) করা এবং জিডি কপি পোর্টালে আপলোড করা বাধ্যতামূলক।
প্রশ্ন: ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড পেতে দেরি হলে কী করণীয়?
উত্তর: বর্তমানে স্মার্ট কার্ড প্রিন্টিংয়ে দেরি হলেও কোনো সমস্যা নেই। আপনি আপনার বিএসপি অ্যাকাউন্ট থেকে কিউআর কোড সম্বলিত ই-লাইসেন্স ডাউনলোড করে সেটি কালার প্রিন্ট করে ল্যামিনেটিং করে নিন। এটি রাস্তার ট্রাফিক পুলিশ এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মূল কার্ডের মতোই গ্রহণযোগ্য।
৯. উপসংহার ও পরামর্শ
পরিশেষে বলা যায়, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ড্রাইভিং লাইসেন্সিং সিস্টেম আগের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব। এখন আর বিআরটিএ অফিসে গিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়ানোর বা তথ্যের জন্য দালালের পেছনে ছোটার কোনো প্রয়োজন নেই। আপনার হাতের স্মার্টফোনটি ব্যবহার করেই আপনি SMS, BSP পোর্টাল কিংবা অ্যাপের মাধ্যমে লাইসেন্সের সঠিক তথ্য জেনে নিতে পারছেন।
আমাদের বিশেষ পরামর্শ: দালাল থেকে দূরে থাকুন
অনেকেই দ্রুত লাইসেন্স পাওয়ার আশায় বা ঝক্কি এড়াতে দালালের আশ্রয় নেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমানে বিআরটিএ-এর সমস্ত লেনদেন এবং তথ্য যাচাই অনলাইনে হওয়ায় দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর কোনো সুযোগ নেই। বরং এতে অর্থ হারানোর পাশাপাশি জাল লাইসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সর্বদা বিআরটিএ-এর অফিশিয়াল মাধ্যমে সরকারি ফি জমা দিন এবং ধৈর্য ধরে প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করুন। মনে রাখবেন, পরিশ্রম করে সঠিক পদ্ধতিতে অর্জিত লাইসেন্সই আপনার সড়কে নিরাপদ চলার গ্যারান্টি।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন (বিআরটিএ হেল্পলাইন)
আপনার যদি লাইসেন্স চেক করতে গিয়ে কোনো জটিলতা হয় কিংবা তথ্যে কোনো বড় ধরনের অসঙ্গতি খুঁজে পান, তবে বিচলিত হবেন না। সরাসরি বিআরটিএ-এর অফিশিয়াল হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন:
- হেল্পলাইন নম্বর: ১৬১০৭ (যেকোনো মোবাইল থেকে)
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: BRTA BSP Portal
- অফিস সময়: রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার (সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত)।
সড়কে ট্রাফিক আইন মেনে চলুন এবং নিরাপদ ড্রাইভিং নিশ্চিত করুন। আপনার এই সচেতনতাই আমাদের সড়ককে নিরাপদ করে তুলবে।

8 thoughts on “২০২৬ সালে ঘরে বসে অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার সহজ নিয়ম (SMS ও App)”