১ ক্লিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করুন
সার্চবারে লিখুন Driving, কন্টেন্টি মনযোগ সহকারে পড়ুন। পরবর্তী ধাপ অনুসরন করুন।
২০২৬ সালে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করার নিয়ম এখন অনেক সহজ। ঘরে বসেই বিএসপি পোর্টালে আবেদন, ডোপ টেস্ট ও ফি প্রদানের বিস্তারিত গাইডলাইন জানুন এই আর্টিকেলে।
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করার নিয়ম

বাংলাদেশের সড়কে বৈধভাবে মোটরসাইকেল চালানোর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স একটি অপরিহার্য দলিল। তবে অনেক সময় আমরা লাইসেন্স করার পর এর মেয়াদের দিকে খেয়াল রাখি না। ২০২৬ সালে বিআরটিএ (BRTA) লাইসেন্স নবায়ন বা রিনিউ করার প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে, যা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ডিজিটাল এবং ভোগান্তিহীন। আজকের এই ব্লগে আমরা জানব কীভাবে সঠিক পদ্ধতিতে এবং কম সময়ে আপনার প্রিয় বাইকের লাইসেন্সটি রিনিউ করবেন।
কী টেকঅ্যাওয়ে
- ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম: এখন ৯৫% কাজ BRTA Service Portal (BSP) এর মাধ্যমে অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়।
- ডোপ টেস্ট: পেশাদার লাইসেন্সধারীদের জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ই-লাইসেন্স: ফি জমা দেওয়ার সাথে সাথেই কিউআর কোডযুক্ত ই-লাইসেন্স ডাউনলোড করা যায়।
- জরিমানা: মেয়াদের ১৫ দিন পার হলে প্রতি বছরের জন্য বিলম্ব ফি প্রযোজ্য হয়।
- ডেলিভারি: আপনার ঠিকানায় স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেবে পোস্ট অফিস।
১. কেন ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করা জরুরি?
মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করার নিয়ম জানার আগে এর গুরুত্ব বোঝা প্রয়োজন। সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী, মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স নিয়ে রাস্তায় বাইক চালানো একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এতে বড় অঙ্কের জরিমানার পাশাপাশি আপনার বীমা সুবিধা বাতিল হয়ে যেতে পারে। এছাড়া নতুন কোনো জব বা বিদেশে ড্রাইভিং পারমিটের জন্য ভ্যালিড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক।
২. ২০২৬ সালে মোটরসাইকেল ড্রাইভিং লাইসেন্স রিনিউ করার নিয়ম

বর্তমানে বিআরটিএ-তে সশরীরে গিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর দিন শেষ। সরকার এখন “পেপারলেস” সার্ভিস প্রোমোট করছে। নবায়ন প্রক্রিয়াটি মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত।
ক) অনলাইনে আবেদন ও প্রোফাইল আপডেট
প্রথমে আপনাকে bsp.brta.gov.bd পোর্টালে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। যদি আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকে, তবে লগইন করে আপনার বর্তমান ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য সেখানে লিঙ্ক করুন।
খ) মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ
লাইসেন্স রিনিউ করার জন্য আপনাকে একজন নিবন্ধিত চিকিৎসকের কাছ থেকে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হবে। এটি প্রমাণ করে যে আপনি শারীরিক ও মানসিকভাবে বাইক চালানোর জন্য উপযুক্ত। বিআরটিএ-র ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করে সেটি পূরণ করিয়ে স্ক্যান করে আপলোড করতে হয়।
গ) ডোপ টেস্ট প্রক্রিয়া (পেশাদারদের জন্য)
আপনি যদি পেশাদার মোটরসাইকেল চালক হন, তবে আপনাকে সরকার নির্ধারিত হাসপাতাল (যেমন: ঢাকা মেডিকেল কলেজ বা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল) থেকে ডোপ টেস্ট করাতে হবে। ২০২৬ সালে এই রিপোর্টটি সরাসরি ল্যাব থেকে বিআরটিএ-র সার্ভারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, ফলে জালিয়াতির সুযোগ নেই।
৩. প্রয়োজনীয় নথিপত্র
অনলাইনে আবেদন করার সময় আপনার হাতের কাছে নিচের কাগজগুলো রাখুন:
- আসল ড্রাইভিং লাইসেন্সের স্ক্যান কপি (উভয় পিঠ)।
- নিবন্ধিত চিকিৎসকের স্বাক্ষর করা মেডিকেল সার্টিফিকেট।
- এনআইডি (NID) কার্ডের ডিজিটাল কপি।
- পেশাদার লাইসেন্সের ক্ষেত্রে ডোপ টেস্ট রিপোর্ট।
- সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের এক কপি ল্যাব প্রিন্ট ছবি (অনলাইনে আপলোডের জন্য)।
আপনি যদি নতুন করে লাইসেন্স করতে চান বা ড্রাইভিং শিখতে চান, তবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার সহজ নিয়ম এবং বিআরটিএ-র গাইডলাইন মেনে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতে পারেন।
৪. লাইসেন্স নবায়ন ফি ২০২৬ (Table)
বিআরটিএ তাদের ফি কাঠামো ২০২৬ সালের জন্য কিছুটা পুনর্নির্ধারণ করেছে। নিচে বর্তমান ফি-এর একটি তালিকা দেওয়া হলো: