১ ক্লিকে ড্রাইভিং লাইসেন্স ডাউনলোড করুন
সার্চবারে লিখুন Driving, কন্টেন্টি মনযোগ সহকারে পড়ুন। পরবর্তী ধাপ অনুসরন করুন।
বাংলাদেশে বৈধভাবে মোটরযান চালাতে হলে উপযুক্ত শ্রেণির ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হয়। নতুন আবেদনকারীর জন্য প্রক্রিয়াটি সাধারণত শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স দিয়ে শুরু হয়। এরপর নির্ধারিত সময় প্রশিক্ষণ নিয়ে বিআরটিএর দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী ধাপে স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।
প্রকাশিত: ৪ মার্চ ২০২৬। সর্বশেষ হালনাগাদ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬।
এই গাইডে বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্সের যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, অনলাইন আবেদন, পরীক্ষা, ফি যাচাই এবং আবেদনসংক্রান্ত সাধারণ সমস্যার সমাধান সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। নিয়ম বা ফি পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আবেদন জমা দেওয়ার আগে বিআরটিএর সরকারি পোর্টালে সর্বশেষ নির্দেশনা মিলিয়ে নিন।
এক নজরে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার ধাপ
- আপনি কোন শ্রেণির যান চালাবেন এবং কোন ধরনের লাইসেন্স প্রয়োজন তা নির্ধারণ করুন।
- বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শারীরিক সক্ষমতার শর্ত পূরণ করুন।
- বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খুলে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন করুন।
- প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করে পোর্টালে দেখানো ফি পরিশোধ করুন।
- লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর নির্ধারিত সময় প্রশিক্ষণ নিন।
- বিআরটিএ নির্ধারিত তারিখে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ নিন।
- পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নির্দেশনা অনুযায়ী স্মার্ট কার্ড লাইসেন্সের পরবর্তী আবেদন, ফি ও বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
- পোর্টাল বা বিআরটিএর নির্দেশিত মাধ্যমে আবেদনের অবস্থা দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য কারা আবেদন করতে পারবেন
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর। আবেদনকারীকে কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিকভাবে মোটরযান চালানোর উপযোগী হতে হবে এবং বিআরটিএর নির্ধারিত দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
এই শর্তগুলো আইন ও সরকারি নির্দেশনার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে। আপনার বয়স, লাইসেন্সের শ্রেণি বা ব্যক্তিগত পরিস্থিতি অনুযায়ী অতিরিক্ত কাগজপত্র লাগতে পারে। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসের নির্দেশনা যাচাই করুন।
অপেশাদার ও পেশাদার লাইসেন্সের পার্থক্য
| বিষয় | অপেশাদার | পেশাদার |
|---|---|---|
| সাধারণ ব্যবহার | ব্যক্তিগত প্রয়োজনে নির্ধারিত শ্রেণির যান চালানো | পেশা বা জীবিকা হিসেবে নির্ধারিত শ্রেণির মোটরযান চালানো |
| ন্যূনতম বয়স | ১৮ বছর | ২১ বছর |
| শিক্ষাগত যোগ্যতা | কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি বা সমমান | কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি বা সমমান |
| অন্যান্য শর্ত | শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া | শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া; পেশাদার শ্রেণির অতিরিক্ত শর্ত প্রযোজ্য হতে পারে |
লাইসেন্সের শ্রেণি নির্বাচন করার সময় শুধু গাড়ির ধরন নয়, গাড়ির ব্যবহার এবং বিআরটিএর শ্রেণিবিভাগও বিবেচনা করুন। ভুল শ্রেণিতে আবেদন করলে সংশোধন বা নতুন আবেদন প্রয়োজন হতে পারে।
আবেদনের আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন
বিআরটিএর অনলাইন আবেদন ব্যবস্থায় সাধারণত পরিচয়, ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্যের প্রমাণ চাওয়া হয়। আবেদন করার আগে নিচের নথিগুলো প্রস্তুত রাখুন। পোর্টালে যে ফরম্যাট ও ফাইল সাইজ দেখানো হবে, সেটিই অনুসরণ করবেন।
- জাতীয় পরিচয়পত্রের স্ক্যান কপি।
- সাম্প্রতিক ছবি, পোর্টালে নির্ধারিত মাপ ও ফাইল সাইজ অনুযায়ী।
- নিবন্ধিত চিকিৎসকের দেওয়া মেডিকেল সার্টিফিকেট বা স্বাস্থ্যসংক্রান্ত নির্ধারিত ফরম।
- অষ্টম শ্রেণি বা সমমান উত্তীর্ণ হওয়ার সনদ।
- স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা আলাদা হলে বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ, যেমন প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইউটিলিটি বিল।
- পোর্টালে চাওয়া অন্যান্য সহায়ক কাগজপত্র।
সব আবেদনকারীর জন্য প্রতিটি নথি একইভাবে প্রযোজ্য নাও হতে পারে। আবেদন ফরমে যে নথি চাওয়া হবে, সেটি পরিষ্কারভাবে স্ক্যান করে আপলোড করুন। অন্য ব্যক্তির পরিচয়পত্র বা অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করবেন না।
বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম
ধাপ ১: সরকারি পোর্টালে প্রবেশ ও অ্যাকাউন্ট তৈরি
বিআরটিএর সরকারি সার্ভিস পোর্টাল BSP খুলুন। সঠিক ওয়েব ঠিকানা ব্যবহার করছেন কি না নিশ্চিত হোন। পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজের পরিচয় ও যোগাযোগের তথ্য দিয়ে নিবন্ধন করুন। অ্যাকাউন্টের তথ্য নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
ধাপ ২: শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন নির্বাচন
লগইন করার পর ড্রাইভিং লাইসেন্স বা শিক্ষানবিশ লাইসেন্স-সংক্রান্ত সেবা নির্বাচন করুন। আবেদনকারীর তথ্য, ঠিকানা, লাইসেন্সের ধরন এবং যানবাহনের শ্রেণি সতর্কভাবে পূরণ করুন। স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতে কোন বিআরটিএ সার্কেল অফিসের অধীনে আবেদন হবে, তা পোর্টালের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হতে পারে।
ধাপ ৩: নথি আপলোড ও তথ্য যাচাই
প্রয়োজনীয় ছবি, পরিচয়পত্র, মেডিকেল সার্টিফিকেট ও শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ আপলোড করুন। নাম, জন্মতারিখ, পরিচয়পত্র নম্বর এবং ঠিকানা মূল নথির সঙ্গে মিলিয়ে নিন। ভুল বা অস্পষ্ট নথি দিলে আবেদন যাচাইয়ে দেরি হতে পারে।
ধাপ ৪: নির্ধারিত ফি পরিশোধ
আবেদন জমা দেওয়ার আগে পোর্টালে প্রদর্শিত ফি, পেমেন্টের মাধ্যম এবং পরিশোধের নির্দেশনা পড়ুন। ফি লাইসেন্সের শ্রেণি, আবেদন বা সেবার ধরন এবং সরকারি হালনাগাদের ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই পুরোনো কোনো ওয়েবসাইটের তালিকা দেখে টাকা পাঠাবেন না। BSP-তে দেখানো বর্তমান অঙ্ক অনুসরণ করুন এবং পেমেন্ট রসিদ সংরক্ষণ করুন।
ধাপ ৫: লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণ
আবেদন অনুমোদিত হলে পোর্টাল থেকে শিক্ষানবিশ লাইসেন্স বা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা সংগ্রহ করুন। এরপর নিরাপদ ও নিয়মমাফিকভাবে প্রশিক্ষণ নিন। বিআরটিএর সরকারি নির্দেশনায় প্রশিক্ষণের সময় ও পরীক্ষার তারিখ সম্পর্কে যে নির্দেশ দেওয়া হবে, সেটিই অনুসরণ করবেন। লার্নার লাইসেন্সকে পূর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স মনে করবেন না।
ধাপ ৬: দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
বিআরটিএ নির্ধারিত তারিখ, সময় ও পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত থাকুন। পরীক্ষায় লিখিত, মৌখিক এবং ব্যবহারিক বা ফিল্ড টেস্ট থাকতে পারে। ট্রাফিক সাইন, সড়ক আইন, গাড়ির মৌলিক নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ চালনা এবং রাস্তায় দায়িত্বশীল আচরণ সম্পর্কে প্রস্তুতি নিন। পরীক্ষার ধরন ও আয়োজনসংক্রান্ত সর্বশেষ নির্দেশনা আপনার নোটিশ বা পোর্টাল থেকে নিশ্চিত করুন।
ধাপ ৭: পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরের কাজ
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে BSP-তে লগইন করে পরবর্তী ধাপ দেখুন। স্মার্ট কার্ড লাইসেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন, নির্ধারিত ফি, ছবি, স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপসহ বায়োমেট্রিক কার্যক্রমের জন্য বিআরটিএ যে নির্দেশ দেবে, তা সম্পন্ন করুন। কার্ড প্রস্তুত বা বিতরণের সময় সম্পর্কে নির্দিষ্ট নিশ্চয়তা ধরে নেবেন না; পোর্টাল বা বিআরটিএর বার্তা অনুসরণ করুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি কত
ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফি আবেদনকারীর লাইসেন্সের ধরন, শ্রেণি, সেবার ধাপ এবং সময় অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। ফি পরিবর্তিত হলে পুরোনো নিবন্ধ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য ভুল হতে পারে। এই কারণে এখানে কোনো নির্দিষ্ট টাকার অঙ্ককে স্থায়ী ফি হিসেবে দেওয়া হচ্ছে না।
সঠিক ফি জানার জন্য বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট সেবা বা Fee Calculator ব্যবহার করুন। পেমেন্ট নিশ্চিত করার আগে আবেদনকারীর নাম, সেবার ধরন, টাকার পরিমাণ এবং পেমেন্ট রেফারেন্স মিলিয়ে নিন।
লাইসেন্স ফি নিয়ে আলাদা নির্দেশনার জন্য আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি বিষয়ক সরকারি নির্দেশনা দেখতে পারেন। তবে চূড়ান্ত ফি হিসেবে সরকারি পোর্টালে প্রদর্শিত অঙ্ককেই প্রাধান্য দিন।
আবেদনের অবস্থা কীভাবে জানবেন
আবেদন জমা দেওয়ার পর BSP অ্যাকাউন্টে লগইন করে সংশ্লিষ্ট আবেদনের অবস্থা দেখুন। আবেদন নম্বর, পেমেন্ট রসিদ এবং বিআরটিএ থেকে পাওয়া SMS সংরক্ষণ করুন। স্মার্ট কার্ডের অবস্থা বা লাইসেন্স যাচাইয়ের জন্য আমাদের অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স চেক করার গাইড পড়তে পারেন। স্মার্ট কার্ড-সংক্রান্ত আলাদা তথ্যের জন্য BRTA স্মার্ট কার্ড চেক গাইড দেখুন।
আবেদন করতে গিয়ে যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
- নিজের NID ও ব্যক্তিগত তথ্যের সঙ্গে আবেদন ফরমের তথ্য না মেলানো।
- ঝাপসা, কাটা বা অসম্পূর্ণ কাগজপত্র আপলোড করা।
- ভুল লাইসেন্স শ্রেণি নির্বাচন করা।
- সরকারি পোর্টাল যাচাই না করে তৃতীয় পক্ষকে টাকা দেওয়া।
- পেমেন্ট রসিদ, আবেদন নম্বর বা SMS মুছে ফেলা।
- লার্নার লাইসেন্সের শর্ত না মেনে একা বা অননুমোদিতভাবে গাড়ি চালানো।
- পরীক্ষার তারিখ, কেন্দ্র বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নির্দেশনা না পড়া।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন
পরীক্ষার আগে সড়ক পরিবহন আইন, ট্রাফিক সাইন, রাস্তার অগ্রাধিকার, নিরাপদ দূরত্ব, গতি নিয়ন্ত্রণ, মোড় নেওয়ার নিয়ম এবং গাড়ির মৌলিক যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা নিন। ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য প্রশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে স্টিয়ারিং নিয়ন্ত্রণ, ব্রেক, ক্লাচ, গিয়ার, আয়না ব্যবহার, পার্কিং এবং সংকেত দেওয়ার অনুশীলন করুন।
প্রস্তুতির জন্য আমাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তর এবং ট্রাফিক সাইন-সংক্রান্ত শিক্ষামূলক কনটেন্ট পড়তে পারেন। শুধু প্রশ্ন মুখস্থ না করে প্রতিটি নিয়ম বাস্তবে কেন প্রয়োজন, তা বোঝার চেষ্টা করুন।
সরকারি তথ্য ও প্রয়োজনীয় লিংক
- BRTA Service Portal – আবেদন, সেবা, ফি ও পেমেন্ট-সংক্রান্ত নির্দেশনা।
- সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ – ড্রাইভিং লাইসেন্সের আইনগত যোগ্যতা ও বিধান।
সরকারি ওয়েবসাইটে কোনো পেজ সাময়িকভাবে না খুললে মূল BRTA ওয়েবসাইট বা BSP পোর্টাল থেকে সংশ্লিষ্ট সেবা খুঁজুন। সরকারি নিয়ম, ফি বা পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তিত হলে সরকারি নির্দেশনাই চূড়ান্ত।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
বাংলাদেশে অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ন্যূনতম বয়স কত?
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে ন্যূনতম বয়স কত?
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর। পেশাদার শ্রেণির অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের আগে কি লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়?
হ্যাঁ। বিআরটিএর প্রকাশিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী মূল ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আগে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স নিতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য কী শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে?
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী কমপক্ষে অষ্টম শ্রেণি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।
ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?
ফি লাইসেন্সের ধরন ও সেবার ওপর নির্ভর করে। আবেদন করার সময় BSP পোর্টালে প্রদর্শিত বর্তমান ফি দেখুন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে কত দিন লাগে?
সবার ক্ষেত্রে একই সময় লাগে না। আবেদন যাচাই, প্রশিক্ষণ, পরীক্ষার তারিখ, বায়োমেট্রিক এবং কার্ড প্রস্তুত ও বিতরণের সময়ের ওপর মোট সময় নির্ভর করে। নিজের আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা BSP অ্যাকাউন্টে দেখুন।
লার্নার লাইসেন্স পেলেই কি একা গাড়ি চালানো যায়?
লার্নার লাইসেন্স পূর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স নয়। এটি প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষানবিশ অনুমতি। কীভাবে অনুশীলন করতে হবে, সে বিষয়ে লার্নার লাইসেন্সের শর্ত ও বিআরটিএর নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
আবেদন জমা দেওয়ার পর কী কী সংরক্ষণ করব?
আবেদন নম্বর, পেমেন্ট রসিদ, লার্নার লাইসেন্স, পরীক্ষার নোটিশ এবং বিআরটিএ থেকে পাওয়া SMS সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজন হলে এগুলো আবেদন যাচাইয়ে কাজে লাগবে।
শেষ কথা
ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সঠিক তথ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আবেদন করার আগে নিজের যোগ্যতা যাচাই করুন, সরকারি BSP পোর্টাল ব্যবহার করুন এবং প্রতিটি ধাপের রসিদ ও নোটিশ সংরক্ষণ করুন। কোনো দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির মাধ্যমে দ্রুত লাইসেন্স পাওয়ার প্রলোভনে পড়বেন না। বৈধ লাইসেন্সের পাশাপাশি নিরাপদ চালনার দক্ষতা অর্জন করাই একজন দায়িত্বশীল চালকের মূল লক্ষ্য।
সম্পাদকীয় নোট: এই নিবন্ধটি সাধারণ তথ্য ও শিক্ষামূলক সহায়তার জন্য তৈরি। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, সরকারি ফি ও কার্যকর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রক্রিয়ায় পার্থক্য হতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বিআরটিএর সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
25 thoughts on “বাংলাদেশে ড্রাইভিং লাইসেন্স করার নিয়ম: যোগ্যতা, কাগজপত্র ও আবেদন প্রক্রিয়া”